সামাজিক দায়বদ্ধতা

সামাজিক দায়বদ্ধতা একটি নৈতিক পরিকাঠামো যা অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তির অন্যান্য ব্যক্তি ও সংগঠনসমূহের সাথে একত্রে কাজ করা উচিত যাতে বৃহত্তর সমাজের লাভ হয়।[প্রতিটি ব্যক্তিই অর্থনীতি ও বাস্তুতন্ত্রগুলির মধ্যকার সাম্যাবস্থা বজায় রাখার জন্য সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ। বস্তুগত দৃষ্টিকোণ থেকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সমাজ ও পরিবেশের কল্যাণের মধ্যে এক ধরনের আপোসরফামূলক ভারসাম্য (Trade-off) থাকতে পারে।[১] তবে এই মতটির বিরুদ্ধে বিগত দশকগুলিতে বহুসংক্যক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।সামাজিক দায়বদ্ধতা বলতে এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাকে বোঝায়। এটি শুধু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহই নয়, বরং পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে এমন যেকোনও কাজ সম্পাদনকারী ব্যক্তির জন্যও প্রযোজ্য।[৪] সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি উদাহরণ হল গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসরত লোকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং দূরত্ব, আর্থিক অবস্থা, ইত্যাদির মতো সমস্ত প্রতিবন্ধকতাগুলি দূর করা। আরেকটি উদাহরণ হল বহিরাঙ্গণ বর্জ্য ও জঞ্জাল থেকে মুক্ত রাখা।এই দায়বদ্ধতা নিষ্ক্রিয় ধরনের হতে পারে, যেমন সামাজিকভাবে ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা, কিংবা সক্রিয় ধরনের হতে পারে, যেমন সামাজিক লক্ষ্য পূরণের জন্য নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডে যোগদান করা। সামাজিক দায়বদ্ধতাকে অবশ্যই আন্তঃপ্রজন্ম হতে হয়, কেননা এক প্রজন্মের কাজ পরবর্তী এক বা একাধিক প্রজন্মের উপরে প্রভাব ফেলতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *